0

download (2)রিপোর্টার্স বিডি নিউজ ডেস্ক : শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এমপি আগস্ট শোকের মাসে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। তাঁর অনুপ্রেরণায় ত্রিশ লক্ষ মানুষ রক্ত দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন করেছে। তাঁর স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশে আধুনিক সমৃদ্ধশালী সোনার বাংলা গড়ে তোলা। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে দেয়নি স্বাধীনতার পরাজিত শত্রুরা। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা ডিজিটাল বাংলাদেশর রূপকার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তাঁর পিতার স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে প্রাণপনে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ১৯৯৯ সালে বিয়ানীবাজারে জনসভায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষনা করেছিলেন গোলাপগঞ্জ কুশিয়ারা নদীর উপর চন্দরপুর-সুনামপুর সেতু নির্মান করে দিবেন। তিনি নিজেই ২০১৫ সালের আগস্ট মাসে ডিজিটাল ভিডিও কনফারেন্সর মাধ্যমে এই সেতুর উদ্বোধন করেছেন। সেই জন্য আমার পক্ষ থেকে ততা গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারবাসীর পক্ষ থেকে প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, চন্দুরপুর-সুনামপুর সেতু গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারের মানুষের যোগাযোগ ও আর্তসামাজিক উন্নয়নে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রাখবে। ২০১৬ সালের মধ্যে বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ উপজেলার প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে দেয়া হবে। কোন এলাকা বিদ্যুৎবিহীন থাকবে না-এলক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। শিক্ষার উন্নয়নে শুধু গোলাপগঞ্জ উপজেলা বর্তমান সরকারের আমলে ১১৮টি স্কুলের ভবন নির্মান করা হয়েছে। যা বিগত শত বছরেও হয়নি। বর্তমানে কারিগরি শিক্ষাকে প্রধান্য দিয়ে সারা দেশে ১০০টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মান করা হবে যার মধ্যে গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারে ১টি করে নির্মান হবে এই এলাকার শিক্ষার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে। শুক্রবার গোলাপগঞ্জ উপজেলায় কুশিয়ারা নদীর উপর নির্মিত চন্দরপুর-সুনামপুর সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সুধি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথাগুলো বলেন। এর আগে তিনি গোলাপগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণভাগ-রামপা-নিমাশন- গ্রামের বিদ্যুতায়নের উদ্বোধন-লক্ষণাবন্দ ভুটিরাপাড়া-নাগের বাড়ী- নিজ ঢাকা দক্ষিণ-মুন্সিপাড়া-চক দৌতপুর গ্রামের বিদ্যুতায়নের শুভ উদ্বোধন করেন। চন্দরপুর-সুনামপুরে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মোস্তাব উদ্দিন কামাল ও শাহজালাল আদর্শ উচ্চ মাঠে বিদ্যুৎ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্টার বদরুল ইসলাম সুয়েব, লক্ষণাবন্দে বিদুৎ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নিজাম উদ্দিন। অনুষ্ঠান গুলোতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান খান, গোলপগঞ্জ আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক রফিক উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ডা: আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল জব্বার চৌধুরী, বিয়ানীবাজার উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মিসবাহ উদ্দিন, কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা এডভোকেট আব্বাছ উদ্দিন, ৫নং বুধবারী বাজার ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি রফিক উদ্দিন, সাবেক চেয়ারম্যান ও আল এমদাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শরফ উদ্দিন, ঢাকা দক্ষিণ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাহাব উদ্দিন, বাদেপাশা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আং কাদির। স্বাগত বক্তব্য রাখেন রোটারিয়ান মঞ্জুর আহমদ, ছাত্রনেতা রুমেল সিরাজ।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন Blogger

 
Top