অন্ধকারে কাজ পরিহার করুন : কখনোই অন্ধকার ঘরে বসে কম্পিউটারে কাজ করা উচিত নয়। আলোর ব্যবস্থা কম থাকলে মনিটরের ব্রাইটনেস কমিয়ে নিন।
মনিটর হতে নিরাপদ দূরত্ব : মনিটর হতে চোখের দূরত্ব কম হলেও ২ ফিট বা ১.৫ ফিট হওয়া উচিত। কারণ, মনিটর হতে এক ধরনের আলোর রশ্মি বের হয়, যা ২ ফিট দূর হতে প্রভাব ফেলতে পারে না। ভালো হয় যদি এলসিডি মনিটর ব্যবহার করেন। অথবা এলইডি প্রযুক্তি ও ভালো।
কাজের ফাঁকে একটু হাঁটুন : কাজের বিরতিতে বসে থেকে রেস্ট না নিয়ে একটু হাঁটুন। হাঁটলে চোখের উপকার পাবেন। কারণ, বসে থাকা অবস্থায় চোখের অবস্থান একরকম থাকে আর হাঁটার সময় চোখ অন্যরকম পরিবেশ পাবে।
অপলক তাকিয়ে না থাকা : আর মনিটরে কাজ করার সময় পলকহীন তাকিয়ে থাকা ঠিক নয়। এতে চোখ ড্রাই আই হয়ে যেতে পারে। তাই কাজ করার সময় বারবার চোখে পলক ফেলবেন। একটানা মনিটরে তাকিয়ে থাকা হতে বাঁচতে মাঝে মাঝে মনিটরের বাইরে ও চোখ রাখুন।
একটানা কাজ করবেন না : গবেষণায় দেখা গেছে একটানা যারা কম্পিউটারে কাজ করেন তাদের চোখের সমস্যা হয় বেশি। তাই প্রতি ৩০ মিনিট কাজ করার পর চোখকে কিছুক্ষণ রেস্ট দিতে হয়। কম হলেও ৫ মিনিট মনিটরের সামনে থেকে চোখ সরিয়ে নিন। ঘন ঘন পলক ফেলুন। পারলে সবুজ গাছপালার দিকে কিছু সময় তাকিয়ে থাকুন।
চোখের ব্যায়াম : চোখের ব্যায়াম খুব সোজা। কাজের ফাঁকে ফাঁকে চোখ বন্ধ রাখুন কিছুক্ষণ। এরপর ঘন ঘন পলক ফেলুন কয়েকবার। এবার বন্ধ চোখ চক্রাকারে ঘুরান। একবার যেদিকে ঘুরিয়েছেন পরেরবার উল্টো দিকে ঘুরান। এতে চোখের ব্যায়াম হয়।
কাজের অবসরে চোখ ম্যাসাজ : কাজের অবসরে চোখ বন্ধ করে দুই হাতের তালু দিয়ে চোখে ঢেকে রাখুন এক মিনিট। এবার ছেড়ে দিন। প্রতি অবসরে অন্তত একবারএটা করুন।
চোখে পরিষ্কার পানির ঝাপটা : কাজের ফাঁকে ফাঁকে চোখে পরিষ্কার পানির ঝাপটা দিন। অনেকেরই চোখ জ্বালা করে। তখনই এ কাজটা করা উচিত। কাজের সময় চোখের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে এটা করা উচিত।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন Blogger Facebook