0

jebon-mother-1..-9-7-15রিপোর্টার্স বিডি নিউজ ডেস্ক : গত বৃহস্পতিবার যোহর নামজের সময় সৌদি আরবের আসির প্রদেশের আভা শহড়ের একটি মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলায় অন্ত্যত ১৫ জন মুসল্লী নিহত হয়েছে। এর মধ্যে চার জন বাংলাদেশী। চার জনের মধ্যে এক জন কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার আছদনগর গ্রামের আবদুল হামিদ ভূইয়ার ছেলে মোঃ জীবন ভূইয়া (৩১)। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, জীবন গত ৭ বছর পূর্বে পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনার জন্য সৌদিআরব পাড়ি দিয়েছিল। সেখানে সে আর্মি ক্যাম্পে চাকুরী করত। গত শুক্রবার ভোর ৬টায় তার সহকর্মীর মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌছলে সেখানে পরিবারের সদস্যদের মাঝে কান্নার রুল পড়ে যায়। তার মৃত্যুর সংবাদে পরিবারসহ ঐএলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সৌদিআরবে কর্মরত জীবনের অকাল মৃত্যুতে তার পরিবারের সদস্যরা দিশেহারা হয়ে যায়। জীবনের বাবা সাংবাদিকদের জানান, পাচ ভাইয়ের মধ্যে জীবন ছিল সবার বড়। নয় বছর আগে ২০০৬ সালে দেবিদ্বার উপজেলার বরকান্দা গ্রামের আছমা আক্তারের সাথে জীবনের বিয়ে হয়। তাদের সংসার জীবনে ২০০৮ সালে একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। একমাত্র কন্যা সন্তান ফাতেমা আক্তার (৭) স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেনে প্রথম শ্রেণীতে পড়াশুনা করে। তার মা, স্ত্রী এবং একমাত্র কন্যা সন্তানের আহাজারীতে এলাকার আকাশ বাতাস ভারী হয়ে গেছে। তার বাবা জরুরী ভিত্তিতে সন্তানের লাশ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন। উপার্জনক্ষম একমাত্র সন্তানের মৃত্যুতে এবং তার ছেলের স্ত্রী ও কন্যা সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তার ন্যায্য পাওনা পেতে বাংলাদেশ সরকার ও সৌদী সরকারের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছেন। মালাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম ভূইয়া সাংবাদিকদের জানান, আমি মসজিদে বোমা হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আমার গ্রামের প্রবাসী জীবন ছিল অত্যন্ত ন¤্র ও ভদ্র প্রকৃতির ছেলে। তার লাশ দেশে ফিরে আনা এবং একমাত্র মেয়ে, স্ত্রীসহ অন্যান্য সদস্যদের মাঝে তার ন্যায্য পাওনা বুঝিয়ে দেবার জন্য আমি সরকারের প্রতি অনুরুধ জানাচ্ছি।



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন Blogger

 
Top