0

rab_logo_230815-thumbnailরিপোর্টার্স বিডি নিউজ ডেস্ক  : র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‌্যাব)-২ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাসুদ রানাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। আজ সোমবার র‌্যাব সদর দফতর থেকে পাঠানো এক চিঠিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। তাকে র‌্যাব সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়েছে। র‌্যাব সদর দফতর থেকে পাঠানো চিঠিতে সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করা না থাকলেও ধারণা করা হচ্ছে ছাত্রলীগ নেতা আরজু মিয়াকে ‘অপহরণ ও হত্যা’র অভিযোগে বিতর্কিত হওয়ায় তাকে প্রত্যাহার করা হলো।  এর আগে গতকাল রবিবার কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আরজু মিয়া নিহত হওয়ার ঘটনার বিচার চেয়ে র‌্যাব-২ এর অধিনায়কসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য আদালতে আবেদন করেন নিহতের ভাই মাসুদ রানা। ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে তিনি এই অভিযোগ করেন। বাকি তিন আসামি হলেন- উপ-সহকারী পরিচালক (ডিএডি) সাহেদুর রহমান, পরিদর্শক মো. ওয়াহিদ ও রাবের সোর্স রতন।  বাদী তার আরজিতে বলেছেন, “র‌্যাব আরজুকে ‘সুপরিকল্পিতাভাবে তুলে নিয়ে’ ১৭ আগস্ট বিকাল থেকে পরদিন ভোরের মধ্যে কোনো এক সময় হাজারীবাগ পার্ক ও শিকদার মেডিক্যালের মাঝামাঝি এলাকায় নিয়ে ‘বন্দুকযুদ্ধের নামে’ গুলি করে হত্যা করে।”পরদিন মর্গে গিয়ে মাসুদ রানা ভাইয়ের লাশ পান বলে আরজিতে উল্লেখ করেছেন।  হাজারীবাগ থানা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকেও একই অভিযোগ করা হয়েছিল। স্থানীয় সংসদ সদস্য ফজলে নূর তাপসও ওই ঘটনাকে হত্যাকাণ্ড বলেছেন। তবে র‌্যাবের দাবি, আরজুর মৃত্যু হয়েছে বন্দুকযুদ্ধে।  মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগ তুলে গত ১৬ আগস্ট মোহাম্মদ রাজা নামে এক কিশোরকে হাজারীবাগের গণকটুলী এলাকায় পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ওই কিশোর আরজুর প্রতিবেশী। আরজু ওই কিশোরকে পিটিয়ে হত্যায় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন অভিযোগ তুলে তার বিরুদ্ধে মামলা করেন রাজার বোন। মামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হাজারীবাগের বড়ইখালী এলাকায় ‘বন্দুকযুদ্ধ’ হয় বলে র‌্যাবের দাবি।



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন Blogger

 
Top