0

Shafiulরিপোর্টার্স বিডি নিউজ ডেস্ক : জাতীয় দলের ক্যাম্প থাকে নিয়মিতই। এখন আছে হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) ইউনিটের ক্যাম্পও। এই দুটিতেও ঠাঁই হয়নি, কিন্তু আশেপাশেই আছেন, এমন ক্রিকেটারদের নিয়ে বিসিবির উদ্যোগ ‘পনি’ (প্লেয়ার্স অফ ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট)। আপাতত এটির তত্ত্বাবধানে আছেন বিসিবি একাডেমির অন্যতম কোচ ও জাতীয় দলের সাবেক কোচ সরওয়ার ইমরান।  পনির আওতায় আছেন এখন ছয় ক্রিকেটার-তিন পেসার রবিউল ইসলাম, শফিউল ইসলাম, আল আমিন হোসেন, উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ মিঠুন, অল-রাউন্ডার শুভাগত হোম ও বাঁহাতি স্পিনার আরাফাত সানি।  রোববার বিকেলে পনি ক্রিকেটারদের অনুশীলন শেষে এই উদ্যোগের বিশদ জানালেন কোচ সরওয়ার ইমরান।  “জাতীয় দলের বাইরে থাকারা যেন সারা বছর সক্রিয় থাকে, এজন্য এই উদ্যোগ। অনেকে বাড়ি চলে যায়, দৃষ্টির আড়ালে চলে যায়। নিজ দায়িত্বে সবাই কাজ করতে পারে। তারপরও তত্ত্বাবধানে থাকা ভালো। সারা বছর তারা যাতে ফিট থাকতে পারে এবং খেলার মধ্যে থাকতে পারে। জাতীয় প্রয়োজনে যে কোনো সময় জাতীয় দল হোক বা ‘এ’ দল, ডাক পেলে সবাই যেন প্রস্তুত থাকতে পারে।”  এইচপি ইউনিটের সঙ্গে পনি ক্রিকেটারদের মূল পার্থক্যটাও ব্যখ্যা করলেন ইমরান।  “এইচপির সঙ্গে পার্থক্য হলো, এখানে সুনির্দিষ্ট ক্রিকেটারদের নিয়ে একান্তে কাজ করা হয়। যার যেটা প্রয়োজন। কারও কোনো সমস্যা থাকলে, ইনজুরি বা ফিটনেসে সমস্যা থাকলে, টেকনিকে সমস্যা থাকলে কাজ করা। এইচপির ট্রেনিং একটু কঠিন। জাতীয় দলে যারা এখন নেই কিন্তু ঢুকতে পারে, তাদের প্রস্তুত রাখার জন্য পনি।”  সরওয়ার ইমরান দায়িত্ব নিয়ে এর মধ্যেই দুটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন। বাংলাদেশ দলের বাইরে থাকা দুই পেসারের অ্যাকশন আরও পরিশীলিত করেছেন।  “শিবলুর (রবিউল ইসলাম) অ্যাকশনে একটু সমস্যা ছিল। হাত পেছন থেকে আসত। এটার জন্য ওর শরীরের অনেক জায়গায় টান পড়ত, ইনজুরি হত। অ্যাকশন তাই একটু বদলে দিয়েছি। এখন অ্যাকশন দেখতেও ভালো লাগছে, ইনজুরি হওয়ার শঙ্কাও কম। সুহাসের (শফিউল ইসলাম) ফ্রন্ট ফুট ল্যান্ডিংয়ে সমস্যা ছিল। ফ্রন্ট আর্ম আগেই ওপেন হয়ে যেত। সেটা ঠিক করা হয়েছে।”  ইমরান জানালে, ঘুরে ফিরে আরও অনেক ক্রিকেটারই আসবে পনির আওতায়। দু-একদিনের মধ্যে যোগ হতে পারেন অস্ট্রেলিয়া থেকে অস্ত্রোপাচার করিয়ে আসার পর পুনর্বাসনে থাকা পেসার শাহাদাত হোসেন। বছর জুড়েই চলতে থাকবে পনির কার্যক্রম।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন Blogger

 
Top