0

Accidentরিপোর্টার্স বিডি ডট কম :  যাত্রীবাহী দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালকসহ অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে কমপক্ষে ৫০ বাসযাত্রী। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ জন। রোববার ভোর ৫টার দিকে সদর উপজেলার মূলিবাড়ি রেলক্রসিং এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে ৪ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। এরা হলেন-গাইবান্ধা জেলা পার্বতীপুর এলাকার সাজা মিয়া ছেলে চালক মেনহাজ (২৮), একই জেলার গাইবান্ধা কলেজপাড়ার আফসার মাস্টারের ছেলে সবুজ (২৮), মহাদেবপুর এলাকার বাবু সেখের ছেলে লিটন (৪০), বগুড়া জেলার দুপচাঁচিয়া উপজেলার জিল্লুর রহমান (৩২)। আহতরা হলেন-রংপুর জেলার পীরগঞ্জ থানার রসুল গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে শাকিল (২৩), একই জেলার মিঠাপুকুর থানার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের আব্দুল ওয়াহাবের ছেলে আনিসুল (৩৪), থানার বদরগঞ্জের বিমল কুমারের ছেলে জয়দেব (২৫), একই গ্রামের কামি খার ছেলে অন্তর (২৮), দিনাজপুর জেলার পাবর্তীপুর থানার মনমনতপুর গ্রামের আনন্দ মণ্ডলের ছেলে মিঠুন (২০), কুমিল্লা জেলার বড়লা গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে আব্দুল করিম (৩০), তার মেয়ে সানজিদা আক্তার রাখি (৪ বছর)। বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিমপাড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন জানান, চট্টগ্রাম থেকে সৈয়দপুরগামী সাবিবর পরিবহন ও উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকাগামী আজাদ পরিবহনের বাস দুটি সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার মূলিবাড়ি রেলক্রসিং এলাকায় পৌঁছলে মুখোমুখি সংঘর্ষ বাঁধে। এতে উভয় বাসের চালকসহ ঘটনাস্থলেই মারা যায় ১২ জন। এ ঘটনায় উভয় বাসের অন্তত ৫০ যাত্রী আহত হয়েছে। খবর পেয়ে সেতু বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ যৌথভাবে উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়। আহতদের উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতাল, শহরের মেডিনোভা হসপিটাল, কমিউনিটি হাসপাতাল, আভিসিনা হসপিটাল, প্রাইম হসপিটাল কমপ্লেক্স, মঈন উদ্দিন মেমোরিয়াল হাসপাতাল ও সেন্ট্রাল হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ফরিদুল ইসলাম জানান, সকাল ৭টা পর্যন্ত সদর হাসপাতালে ১৪টি লাশ পৌছেছে এবং ৫০জনকে ভর্তি করা হয়। এদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ২০জনকে বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। এদিকে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বগুড়া নেয়ার পথে সবুজ নামে আরো একজন মারা যায়। সংবাদ পেয়ে জেলা প্রশাসক মো. বিল্লাল হোসেন, পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন আহম্মেদ ও সেতু বিভাগের ট্রাফিক ম্যানেজার লে. কমোডর মুজাহিদ উদ্দিন ঘটনাস্থল ও সদর হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। এ সময় জেলা প্রশাসক বিল্লাল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে ১০ হাজার করে টাকা প্রদান করা হবে। আহতরা যাতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পায় সে বিষয়টি মনিটরিং করা হচ্ছে।’


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন Blogger

 
Top