রিপোর্টার্স বিডি ডট কম : সরকার তরুণ নেতৃত্বকে বিনাস করে ভবিষ্যৎ রাজনীতি ধ্বংস করার প্রচেষ্টায় মেতে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন, বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক ও যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। এ ব্যপারে তাকে সহযোগিতা করছে সরকারের তল্পী বাহক প্রশাসন। তারা আরও বলেন, এরই ধারাবাহিকতায় ছাত্রদলের সভাপতি রাজীব আহসানকে মনগড়া ন্যাক্কারজনক অভিযোগে গ্রেফতার করেছে সরকার। তার বিরুদ্ধে কাল্পনিক এই নোংরা অভিযোগ প্রত্যাহার করে মুক্তি দেওয়ার আহবান জানাচ্ছি। মঙ্গলবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, রাজীব আহসানকে যে অভিযোগে গ্রেফতার করছে তার সাথে রাজীবের কোন সর্ম্পক নেই। কক্সবাজারে সরকার দলীয় এমপি মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত। তাকে গ্রেফতার না করে নতুন নেতৃত্বকে কলঙ্কিত করতে রাজীবকে গ্রেফতার করেছে। তিনি বলেন, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্চাসেবকদলসহ বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের উপর নির্যাতন চালিয়ে শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। যারা ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে ভূমিকা রাখবে সরকার তাদের উপর নির্যাতন চালিয়ে গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করে দিচ্ছে। তাতে জাতীয় রাজনীতি ধ্বংসের মুখে পড়বে। স্বৈরাচারীরা মাথাচারা দিয়ে উঠবে। যুবদল সভাপতি বলেন, আদালতকে ব্যবহার প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। যাতে নেতারা মুক্তি না পায়। ছাত্রদল সভাপতি রাজীব আহসানকে মিথ্যা অভিযোগ থেকে প্রত্যাহার করার দাবি জানাচ্ছি। যদি তাকে এ অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়া না হয় তাহলে ভবিষ্যতে এটি ভূমেরাং হতে পারে যা ছাত্রলীগেও প্রবেশ করতে পারে। রাজীব আহসানের মুক্তির ক্ষেত্রে আইনের সহজ সুযোগ গ্রহণ করার ক্ষেত্রে সরকার যেন কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা না হয়’ উল্লেখ করে ছাত্রদল সভাপতির অভিলম্বে মুক্তি দাবি করেন আলাল। যুবদলের এই নেতা বলেন, বিগত আন্দোলনে যুবদলের ২০ জন নেতাকর্মীকে গুম- খুন করা হয়েছে। যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম নীরব, যুগ্ম সম্পাদক মীর নেওয়াজ আলী, যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মামুন হাসান, সাধারণ সম্পাদক এস এম জাহাঙ্গির, যুবদল ঢাকা মহানগর দক্ষিনের সভাপতি হামিদুর রহমান হামিদ, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল আলম মজনু জামিন নিয়ে এখন প্রকাশে বের হতে পারেননি। সরকারের নিকট আহবান জানাই আদালতকে প্রভাবিত না করে তাদেরকে জামিন দিন। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, সহসভাপতি কে আই এম খলিল, অ্যাডভোকেট নেছার আহমেদ, আব্দুল খালেক, ফরহাদ হোসেন আজাদ, মীর রবিউল ইসলাম লাবু যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মীর নেওয়াজ আলী , মাশুকুর রহমান, অমেরেন্দু অপু, আব্দুল খালেক, কে এম জোবায়ের এজাজ, আলী আকবর চুন্নু, হারুন উর রশিদ, শহদিল্ল তালুকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ক ম মোজাম্মেল হক প্রমুখ। উল্লেখ্য, মাদক ও মানবপারের অভিযোগ এনে পটুয়াখালীর লেবুখালী ফেরিঘাট থেকে ১৯ জুলাই রাত ১১টার দিকে দুমকি থানা পুলিশ ছাত্রদল সভাপতি রাজীব আহসানসহ ছয়জনকে আটক করে।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন Blogger Facebook