0

BSS-Sylhet-Rajon-Murder-Photo-1-300x225 (1)শিশু সামিউল আলম রাজন হত্যার প্রতিবাদে ও দ্রুত বিচার দাবিতে বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে বক্তারা শিশু রাজনের হত্যাকারিদের দ্রুত গ্রেফতার ও সর্বোচ্চ শাস্তি (ফাঁসি) দাবি করেন। এছাড়া ঘটনার পর দায়িত্বে অবহেলার জন্য দায়ী পুলিশ সদস্যদের ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রত্যাহারের দাবি জানান। মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের সিলেট শহরতলীর কুমারগাঁও তেমুখি পয়েন্টে সদর উপজেলাবাসীর উদ্যোগে সমাবেশ আয়োজন করা হয়। সিলেট সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশফাক আহমদের সভাপতিত্বে ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) এর সিলেট ব্যুরো প্রধান মকসুদ আহমদ মকসুদের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সিলেটের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছেন। খুনিরা কোন অবস্থায় রক্ষা পাবে না। মিসবাহ সিরাজ বলেন, এই ঘটনা অত্যন্ত অমানবিক, অত্যন্ত বর্বর। এর প্রতিবাদ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। খুনিরা অপরাধি, এরা কখনো রক্ষা পায় না। রাজন হত্যার খুনিরাও রক্ষা পাবে না। তিনি রাজন হত্যার দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচারের জন্য সবধরণের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বলেন, এই হত্যার বিচার সাধারণ আদালতে নয়, দ্রুত বিচার আদালতে ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন হবে। পিপি মিসবাহ সিরাজ আসামি পক্ষকে কোন ধরণের সহযোগিতা না করার জন্য সিলেটের সকল আইনজীবির প্রতি আহ্বান জানান। এছাড়া তিনি কর্তব্যে অবহেলার জন্য দোষী জালালাবাদ থানার পুলিশ সদস্যদের ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রত্যাহারের দাবি জানান। সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ সুজাত আলী রফিক, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট নূরে আলম সিরাজী, সিলেট জজ কোর্টের স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট শামসুল ইসলাম, অধ্যাপক শফিকুর রহমান, মোগলগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শামসুল ইসলাম টুনু, টুকের বাজার আলহাজ্ব শহীদ আহমদ, রাজনের আত্মীয় আব্দুল মালিক, সাংবাদিক নূর আহমদ, মদীনা মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আমির হোসেন, অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়ন তেমুখি শাখার সভাপতি ফরিদ আহমদ, যুবনেতা হেলাল আহমদ মাছুম প্রমুখ। সমাবেশের শুরুতে কোরআন তেলওয়াত করেন সাংবাদিক রহমান ফারুক। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবলীগ নেতা এসএম শায়েস্তা তালুকদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আমির উদ্দিন আহমদ, কান্দিগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি আজম আলী, সাধারণ সম্পাদক মোজাহিদ আলী, টুকেরবাজার ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি আলতাব মিয়া, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুকিত, ইউপি সদস্য আবু জাহিদ, বিশিষ্ট মুরব্বি সাজিদ আলী, মোহাম্মদ আলী দুদু, সাবেক সিটি কাউন্সিলর জগদীশ চন্দ্র দাশ, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ আব্দুল রহমান, মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম, শাহাব উদ্দিন লাল, শাহজাহান আহমদ, তেমুখি পয়েন্ট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মাসুক মিয়া, সাধারণ সম্পাদক জুবের আহমদ সুমন, মো. ইউসুফ মিয়া, কুমারগাঁও এলাকার বিশিষ্ট মুরব্বি সাবেক ইউপি সদস্য ইসলাম উদ্দিন, মো. বাবুল মিয়া, সুরুজ আলী, মাওলানা নুরুল ইসলাম, যুবনেতা তৈয়বুর রহমান দিরাই, আবুল হাসনাত, শ্রমিক নেতা হুশিয়ার আলী, আল-আমীন প্রমুখ।



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন Blogger

 
Top