বাংলাদেশ থেকে ব্রিটিশ ভিসা প্রসেসিং প্রক্রিয়া ব্যয় সংকোচন নীতি গ্রহণ করে গতবছর ভারতের দিল্লিতে স্থানান্তর করা হয়। এরপর থেকেই ব্রিটিশ ভিসা প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হতে শুরু করেন বাংলাদেশিরা। বিশেষ করে সিলেটের মানুষই যেহেতু ব্যাপকহারে ব্রিটেনে গিয়ে থাকেন, এক্ষেত্রে ভিসা প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন মূলত সিলেটীরাই। আশ্চর্যজনক বিষয় হচ্ছে, অতীতে বেশ কয়েকবার যুক্তরাজ্য সফর করেছেন, এমন ব্যক্তিরাও এখন ব্রিটিশ ভিসা পাচ্ছেন না! তথ্যানুসারে, ১৮০৯ সালে সিলেটের সৈয়দ আলী প্রথম বিলেত তথা যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমিয়েছিলেন। তার পথ ধরে গত প্রায় ২০৬ বছরে ১০ লাখ বাংলাদেশি বর্তমানে যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন। যার ৯৫ ভাগই সিলেট অঞ্চলের। বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে ব্রিটিশ ভিসা প্রত্যাশী মানুষদের ৯০ ভাগই সিলেটী। সিলেটের মানুষের ব্রিটেনপ্রীতির প্রতি দৃষ্টি দিয়ে ২০০১ সালে নগরীর কুমারপাড়ায় ব্রিটিশ হাইকশিনের কনস্যুলার অফিস স্থাপন করা হয়। কিন্তু ব্যয় সংকোচন নীতি গ্রহণ করার ফলে গতবছর অক্টোবরে ওই কনস্যুলার অফিস স্থানান্তর করা হয় ভারতে। মূলত এরপর থেকেই সিলেট অঞ্চল থেকে ব্রিটিশ ভিসা প্রত্যাশীরা বঞ্চিত হওয়া শুরু করেন। ব্রিটিশ কনস্যুলার অফিস স্থানান্তর করার আগে সিলেট অঞ্চল থেকে যেখানে প্রত্যাশীরা ৫০ ভাগের উপরে ভিসা পেতেন, বর্তমানে সেখানে মাত্র ১০-১২ ভাগ পাচ্ছেন! আরো আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, যেসকল ব্যক্তি অতীতে কয়েকবার যুক্তরাজ্য সফর করেছেন, বর্তমানে তাদেরকে ভিসা দিচ্ছে না যুক্তরাজ্য! ব্রিটিশ ভিসা প্রত্যাশী আতিক আহমদ বলেন, ‘আমি এখন পর্যন্ত চারবার যুক্তরাজ্য ভিজিট করেছি। কখনো ভিসা রিজেক্ট হয়নি। কিন্তু কনস্যুলার অফিস দিল্লিতে যাওয়ার পর পঞ্চমবারের মতো ভিজিট ভিসার আবেদন করে আমি রিজেক্টেড হয়েছি!’
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন Blogger Facebook