রিপোর্টার্স বিডি নিউজ ডেস্ক : অটোরিকশা, টেম্পোসহ অযান্ত্রিক কম গতির ও তিন চাকার সব যানবাহনকে দুর্ঘটনার জন্য দায়ী করে ১ অগাস্ট থেকে সারাদেশের মহাসড়কে এসব যান চলাচল নিষিদ্ধ করে সরকার।গত রোববার পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করতে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে যান ওবায়দুল কাদের। এরপর পরই নিজের ফেইসবুক পাতায় একটি ছবির অ্যালবাম আপলোড করেন তিনি।‘রোড সেফটি প্রোগ্রাম মাওয়া ০৯/০৮/২০১৫’ নামের ওই অ্যালবামের একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে, একজন চালককে কান ধরে বসতে বলছেন একজন পুলিশ কর্মকর্তা। আর তার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন কালো প্যান্ট ও সাদা শার্ট পরা ওবায়দুল কাদের।মন্ত্রীর ছবিটি ফেইসবুকে শেয়ার করে আহমেদ জুয়েল নামে একজন লিখেছেন, “মানুষকে এভাবে অপমান করার এখতিয়ার এই মন্ত্রী সাহেব কোথায় পেলেন? আইন লঙ্ঘন করলে আইন অনুযায়ী তার শাস্তি হবে। কিন্তু এভাবে সবার সামনে অপমান করার অধিকার তারে দিল কে? এই প্রজাতন্ত্র? এই দেশ? এই জনগণ?“মন্ত্রী সাহেব, মনে রাইখেন, এরাই ভোট দিয়া আপনারে মন্ত্রী বানাইছে। মানুষকে সম্মান দিতে শিখুন। আর মানুষ যাতে আইন মানতে বাধ্য হয় সেই ব্যবস্থা করুন। খামোখা সাধারণের দুশমন হইয়েন না। ফেসবুকে এই ছবি শেয়ার করে যা বোঝাতে চাইলেন, তা আমাদের আহত করেছে।”
এই ছবিটি নিয়ে ব্লগার ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট পিনাকী ভট্টাচার্য লিখেছেন, “এই সিএনজি চালক সমাজের সবচেয়ে দুর্বল শ্রেণী, তাই ওদের কান ধরিয়ে অপমানে কোনো ঝুঁকি নেই।”জাহিদ হোসেন নামে একজন লিখেছেন, “সংবিধানের আর্টিকেল ৩৫ (৫) অনুসারে কোন ব্যক্তিকে নির্যাতন, অমানবিক ভাবে সাজা দেয়া যাবে না।”আলী আল মাসুদ নামে একজন লিখেছেন, “এমনি তো আর ফাটাকেষ্ট মন্ত্রী নাম লাগেনি।”
ওবায়দুল কাদেরের মহাসড়ক পরিদর্শনের সময় এক মোটর সাইকেল আরোহীকে থামিয়ে শার্টের বোতাম লাগাতে নির্দেশ দেওয়ার আরও একটি ছবিও ফেইসবুকে এখন ভাইরাল।কয়েক বছর আগে পাবনার ঈশ্বরদীতে রেলকর্মকর্তাকে থাপ্পড় মেরে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন ওবায়দুল কাদের। তখন তিনি রেল মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন Blogger Facebook