0

unnamed13-300x209গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি: গোয়াইনঘাটের বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। জেলা সদরের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। বর্ষন অব্যাহত থাকায় কমেনি বন্যার পানি। গরু, মহিষ, ছাগল নিয়ে কৃষকেরা বিপাকে পড়েছেন। নেই গো-খাদ্যে। জন জীবনে নেমে এসেছে চরম বিপর্যয়।

১৯ আগষ্ট ভোরে আকষ্মিক পাহাড়ী ঢলে আঘাত হানে জাফলং চা-বাগানসহ রাধানগর বাজার। মুর্হূতেই জাফলং চা বাগানসহ রাধানগর বাজারে ২শতাধিক ঘর-বাড়ী পানিতে তলিয়ে যায়। গোটা উপজেলা হয়ে পড়ে বন্যাক্রান্ত। গত রাতে পানি কিছুটা কমলেও দিনের বেলায় কমেনি। সারী-গোয়াইন সড়কে ঝুকিপূর্ণভাবে যাল চলাচল করলেও গোয়াইন-সালুটিকর সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

গো-খাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হবে। বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে গোয়াইনঘাটের দায়িত্ব প্রাপ্ত ইউএনও খালেদুর রহমান এক মতবিনিময় সভা করেন।

বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় তার কার্যালয়ে অনুষ্টিত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন পি.আই.ও আহমেদ উল্যাহ সবুজ, সি-এ শফিকুল ইসলাম,সহকারী বশির আহমদ, জৈন্তাপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম, গোয়াইনঘাট প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আব্দুল মালিকসহ বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তাগন। তিনি সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি বিষয়ে আবগত হন এবং উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন।

বিকেল ৩টায় তিনি গোয়াইনঘাটে বিভিন্ন বন্যাক্রান্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। বুধবার দুপুরে বন্যাক্রান্ত জাফলং চা বাগানে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে বলে জানান ত্রাণ কর্মকর্তা আহমেদ উল্যাহ সবুজ। সারা দিন বর্ষন রয়েছে অব্যাহত। গোয়াইন নদীর পানি গতকাল সন্ধা ৬টা পর্যন্ত বিপদ সীমার ২৬সেঃমিঃ উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন Blogger

 
Top