রিপোর্টার্স বিডি নিউজ ডেস্ক : এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেছেন শিক্ষামন্ত্রী।রোববার সকাল ১০টায় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বোর্ড চেয়ারম্যানদের সঙ্গে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফলাফল হস্তান্তর করেন। এবারের পাশের হার ৬৯.৬০%। গতবছরের তুলনায় পাশের হার কমেছে। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪২,৮৯৪ জন শিক্ষার্থী। এবারের পাশের হার কম হবার কারন হিসেবে পরীক্ষার সময় হরতাল-অবোরোধের কথা তুলে ধরেছেন শিক্ষামন্ত্রী। সিলেট শিক্ষা বোর্ডে এবারের উচ্চ মাধ্যামিক (এইচএসসি) পরীক্ষার পাসের হার ৭৪.৫৭ শতাংশ। গতবছর পাসের হার ছিলো ৭৯.১৬। গতবারের চেয়ে এবারের ফলাফলের হার কমেছে। কমেছে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যাও। বোর্ডে ছেলেদের পাসের হার ৭৩.৯৮ ও মেয়েদের পাসের হার ৭৫.০৭। রোববার (০৯ আগষ্ঠ) সকালে এ ফলাফল জানান শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আব্দুল মান্নান। বোর্ডের ২৩১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট ৫৭ হাজার ৭০২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ৪৩ হাজার ২৮জন। এদের মধ্যে ছেলে ১৯ হাজার ৭২১ ও মেয়ে শিক্ষার্থী ২৩ হাজার ৩০৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ১ হাজার ৩৫৬ জন শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে ছেলে ৭৯৮ ও মেয়ে ৫৫৮ জন। এবার শতভাগ পাস করেছে এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১৩টি। সিলেট মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় সুনামগঞ্জে পাসের হার ৭৫ দশমিক ২৭ শতাংশ। রোববার(০৯ আগস্ট) পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। জেলার ১১টি উপজেলার ১৮টি কেন্দ্রে মোট ৯ হাজার ৮৬৬ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ৪ হাজার ৫৩৪ জন ছেলে এবং ৫ হাজার ৩৩২ জন মেয়ে। মোট পাস করেছে ৭ হাজার ৪১৮ জন। এর মধ্যে ৩ হাজার ৪২০ জন ছেলে এবং ৩ হাজার ৯৯৮ জন মেয়ে। মোট পাস করা শিক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৪ জন। এর মধ্যে ১৭ জন ছেলে ও ৩৭ জন মেয়ে। সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শিক্ষা কল্যাণ শাখা বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষায় (এইচএসসি) এবারও সাফল্য ধরে রেখেছে সিলেট ক্যাডেট কলেজ। কলেজটির বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৫১ জন পরীক্ষার্থীর সবাই জিপিএ-৫ পেয়েছে। শিক্ষা কার্যক্রমে ক্যাডেটরা আকর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করায় কলেজ অধ্যক্ষ কমান্ডার এম. সাইফুল ইসলাম (ট্যাজ) পিএসসি, বিএন ক্যাডেট অভিভাবক, শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন। ক্যাডেটরা যুগোপযোগী শিক্ষা গ্রহণ করার মধ্য দিয়ে সৃজনশীল, দেশপ্রেমিক মানবসম্পদে পরিণত হয়ে দেশ মাতৃকার কল্যাণে আরো বেশি অবদান রাখবে এবং আগামী দিনগুলোতে সাফল্যের এই ধরা বজায় রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। এবার আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে ১০ লাখ ৭৩ হাজার ৮৮৪ পরীক্ষার্থী ১৩টি বিষয়ের ২৫টি পত্রে সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষায় অংশ নেয়। এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় ১ এপ্রিল। তত্ত্বীয় (লিখিত) পরীক্ষা ১১ জুন শেষ হয়।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন Blogger Facebook