স্পোর্টস ডেস্ক : প্রথমবারের মতো চট্টগ্রামে ঈদ করলেন বাংলাদেশ দলের টেস্ট অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। এই অভিজ্ঞতাটা তাঁর কাছে অন্যরকম। বাবা মাকে ছাড়া ঈদ করার কষ্ট থাকলেও চট্টগ্রাম টেস্টকে সফল করার স্বপ্নই তাঁর ভাবনাজুড়ে।
শনিবার নামাজ শেষে টেস্টের লক্ষ্য নিয়ে সরাসরি কিছু বললেন না মুশফিক। তারপরও কথায় পরিষ্কার, ওয়ানডের সাফল্য টেনে নিতে চান টেস্টেও। বললেন, ‘বাবা-মাকে ছাড়া ঈদ করতে হচ্ছে। খারাপ লাগছে। তবে আমরা এখানে কাজে এসেছি। কাজটা ভালোভাবে শেষ করতে পারলে ঈদ আরও আনন্দঘন হবে। সবাই দোয়া করবেন।’
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের পর ২১ জুলাই চট্টগ্রামে শুরু হচ্ছে প্রথম টেস্ট। শেষ একদিনের ম্যাচ জয়ের সাফল্য নিয়ে মাশরাফিসহ বেশ কজন ক্রিকেটার চট্টগ্রাম ছেড়েছেন আগেই। টেস্ট দলের বেশির ভাগই ঈদের ছুটি কাটাচ্ছেন নিজ নিজ পরিবারের সঙ্গে।
চট্টগ্রামে অল্প কয়েকজনের মধ্যে মুশফিক ছাড়া আছেন মাহমুদউল্লাহ ও তাইজুল। এ তিনজনই আজ শনিবার সকালে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন দামপাড়া পুলিশ লাইন মসজিদে। নামাজ শেষে সাংবাদিক ও উপস্থিত অনেকে তাঁদের ঘিরে ধরেন। প্রিয় ক্রিকেটারদের সঙ্গে ছবি তোলার চেষ্টা করেন কেউ কেউ। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মধ্যে সেখানে আর কথা বলেননি তাঁরা।
এরপর হোটেল র্যাডিসনের লবিতে ফিরে ঈদের কোলাকুলি করেন মুশফিক-মাহমুদউল্লাহ। সাংবাদিকদের সঙ্গে তাঁদের কথা হয় সেখানেই। বাংলাদেশ দলের টেস্ট অধিনায়ক বললেন, ‘এবারের ঈদটা আমার জন্য অন্যরকম অভিজ্ঞতা। দেশবাসীকে ঈদ মোবারক। সবাই নিরাপদে ঈদ উদ্যাপন করুন।’
মাহমুদউল্লাহ বললেন, ‘চট্টগ্রামে প্রথমবারের মতো ঈদ করছি। ভালোই লাগছে। তবে পরিবারের অন্যদের জন্য কিছুটা খারাপ লাগছে।’
এ দিকে প্রধান নির্বাচক ফারুক আহমেদও এবার ঈদ করলেন চট্টগ্রামে। নামাজ শেষে দোয়া চাইলেন সবার, ‘ক্রিকেটারেরা দেশের বাইরে অনেকবার ঈদ করেছে। তবে দেশে থেকে সিরিজের মাঝে পরিবারের বাইরে ঈদ হয়তো এটাই প্রথম। আমরা দলের জন্য দেশবাসীর দোয়া চাই।’
মুশফিকদের সঙ্গে একই মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকা দলের অধিনায়ক হাশিম আমলাও। তিনি আগে থেকেই নিরাপত্তাকর্মীদের মাধ্যমে সাংবাদিকদের কোনো ধরনের ছবি তোলা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানান।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন Blogger Facebook