0

jamal+reactionস্পোর্টস ডেস্ক : দুই ম্যাচ হাতে রেখে বৃহস্পতিবারই মামুনুলদের লিগ শিরোপা ধরে রাখা নিশ্চিত হওয়ার ক্ষণটি আরও রঙিন হয়ে উঠল মঞ্জুর কাদের চৌধুরীর ঘোষণায়। টানা দ্বিতীয় লিগ শিরোপা জয়ী যোদ্ধাদের ১০ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি উৎসবের ফাঁকেই দিয়ে গেলেন ক্লাব সভাপতি। এমেকা ডারলিংটনের গোলে শেখ জামালের এগিয়ে যাওয়ার স্বস্তির হাসিটুকু উবে গিয়েছিল পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে। জুয়েল রানার গোলে সমতায় ফেরার পর প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে ইসমাইল বাঙ্গুরার গোলে স্কোরলাইন ২–১ করে নেয় মোহামেডান।  দ্বিতীয়ার্ধে চেনা চেহারায় ফিরে ২-১ গোলে পিছিয়ে থাকা শেখ জামাল। মামুনুল মাঝ মাঠের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সতীর্থদের জন্য আক্রমণের পথ প্রশস্ত করে দেন। সে পথ ধরেই ওয়েডসেন আনসেলমের গোলে সমতায় ফেরে শেখ জামাল। এরপর ল্যান্ডিং ডারবোর জয়সূচক গোলে শিরোপা নিশ্চিত হয় তাদের। শিরোপা জেতার পর অধিনায়ক মামুনুল বলেন, “দ্বিতীয়ার্ধে অসাধারণ ফুটবল খেলে ঘুরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ছিলাম আমরা। আত্মবিশ্বাস ছিল, আজ আমরা শিরোপা জিতব।” মিডফিল্ডার সোহেল রানার কথাতে থাকল প্রথমার্ধে পিছিয়ে থাকার কষ্টের সঙ্গে শেষের আনন্দটাও, “ড্রেসিংরুমে যাওয়ার পথে আমরা কান্না করছিলাম। দুই ম্যাচ আগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। এর চেয়ে আনন্দের আর কি হতে পারে?” ম্যাচ শেষে দারুণ উচ্ছ্বসিত ওয়েডসেন জানালেন, শিরোপা ধরে রাখার সুযোগটি কাজে লাগানোর জন্য তারা অপেক্ষার দিন গুনতে রাজি ছিলেন না মোটেও, “মোহামেডানের বিপক্ষের ম্যাচটি আমাদের কাছে ছিল ফাইনাল।” রক্ষণভাগ সামলানোর ক্লান্তি ভুলে জয়ের উচ্ছ্বাস ঝরল ডিফেন্ডার নাসিরউদ্দিন চৌধুরীর কণ্ঠেও, “অসাধারণ (অনুভূতি)। আমাদের লক্ষ্য ছিল লিগ চ্যাম্পিয়ন হব। আত্মবিশ্বাস ছিল, আজকেই শিরোপা জিততে হবে।” চ্যাম্পিয়ন দলের কোচ জোসেফ আফুসি মোহামেডান বাধা পেরিয়ে লক্ষ্যে পূরণের কৃতিত্বটুকু বিলিয়ে দিলেন শিষ্যদের মধ্যে। “মোহামেডান বড় দল। আজ ওদের হারাতে না পারলে আমাদের পরের ম্যাচের জন্য অপেক্ষা করতে হতো। (ছেলেদের বলেছিলাম) তোমরা ফেডারেশন কাপে পেরেছ; এবারও পারবে। ছেলেরা ভালোভাবেই পেরেছে।”


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন Blogger

 
Top