0

IMG_0234বিনোদন ডেস্ক :: বাংলাদেশের গুণী নির্মাতা নূরুল আলম আতিক তার এক স্বাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘আমার সময়ের নির্মাতাদের মধ্যে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর হাতে আমি জাদু দেখেছি’। সত্যিই একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা তো সেই জাদুকর। যিনি তার জাদুর মায়া দিয়ে সিনেমা হল ভর্তি দর্শককে হাসাবেন, কাঁদাবেন ,উত্তেজনায় রাখবেন এবং দীর্ঘ সময় বসিয়ে রাখবেন। জাদু ছাড়া কি এটা সম্ভব? মোস্তফা সরয়ার ফারুকী যে জাদুকর, তিনি তার নানান কাজ দিয়েই তা প্রমাণ করেছেন। নাটক, বিজ্ঞাপনচিত্র এবং চলচ্চিত্র। তিন মাধ্যমেই তার জাদুর কাঠির ছোঁয়া রয়েছে।

সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া, এবং আনন্দবাজার পত্রিকা এ নির্মাতার প্রশংসা করেছে বেশ ভালো ভাবেই। আনন্দবাজার পত্রিকাটি লিখেছে এভাবে, ‘জন্ম, কর্ম সবই বাংলাদেশে। কিন্তু তাঁর খ্যাতি বিশ্বজুড়ে। তিনি মোস্তফা সরয়ার ফারুকি। চিত্র পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকারের দায়িত্ব সামলান একই সঙ্গে। বাংলাদেশে চলচ্চিত্র জগতে বিপ্লবের মূলে রয়েছেন এই তরুণ পরিচালক।’

এত কিছু বলার মূল কারণ এ গুণী নির্মাতা এবার বিশ্বজয়ের দৌড়ে নেমেছেন। নির্মাণ করতে যাচ্ছেন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র ‘নো ল্যান্ডস ম্যান’। এ বছরের ডিসেম্বর থেকে তিনি তার এ চলচ্চিত্রটি নির্মাণ শুরু করতে পারেন বলে জানান। তবে মজার বিষয় হচ্ছে নির্মাণের আগেই ছবিটি দক্ষিণ এশিয়ার ফিল্ম বাজারে সেরা প্রজেক্টের পুরস্কার জিতে নিয়েছিলো। সেরা প্রজেক্টের পুরস্কার হিসেবে ছবিটি জিতেছে নগদ ১০ লাখ রুপি ও সনদ।

তবে নতুন খবর হচ্ছে, এ ছবিতে বলিউডের শক্তিমান অভিনেতা নওয়াজুদ্দিন সিদ্দিক অভিনয় করবেন বলে ভারতীয় বেশ কিছু সংবাদ মাধ্যম সংবাদ প্রকাশ করেছে। শুধু তাই নয় এ ছবিতে একজন হলিউড অভিনেত্রীও অভিনয় করবেন বলে জানা যায়। এবং একটি বিশেষ চরিত্রে বাংলাদেশের একজন অভিনেত্রী অভিনয় করবেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়।

এ বিষয়ে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বাংলামেইলকে বলেন, ‘আমিও টাইমস অব ইন্ডিয়া, আনন্দবাজার পত্রিকা মারফত জানতে পারি যে নওয়াজুদ্দিনের বিষয়টি। এটা সত্য যে তার সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। শুধু নওয়াজুদ্দিন নন, ইরানি একজন অভিনেতার সঙ্গেও আমার কথা হয়েছে। যার নামের সঙ্গে অস্কার পুরস্কার জড়িত। তবে এখনো কিছু চূড়ান্ত হয়নি। চূড়ান্ত হলে সব শিল্পীদের নাম আমরা ঘোষণা করবো।’

এদিকে আরো জানা যায় যে, ছবির ২০ ভাগ শুটিং হবে উত্তর ভারত অথবা উত্তর কলকাতায়, ৭০ ভাগ শুটিং হবে যুক্তরাষ্ট্রে, ৫ ভাগ বাংলাদেশে ৫ ভাগ অস্ট্রেলিয়ায়। বাংলা, ইংরেজী, হিন্দি ও উর্দু ভাষায় চলচ্চিত্রটি নির্মাণ হবে।

বলে রাখা ভালো, এর আগে ‘ব্যাচেলর’, ‘মেড ইন বাংলাদেশ’, ‘থার্ড পার্সন সিঙ্গুলার নম্বর’, ‘টেলিভিশন’ এবং ‘পিঁপড়াবিদ্যা’ ছবিগুলো নির্মাণ করেছেন ফারুকী।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন Blogger

 
Top