রিপোর্টার্স বিডি নিউজ ডেস্ক : মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ১২টা। সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রধান ফটক খুলে বাইরে বোরোলেন মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান। হুড়মুড় করে জেলারসহ অন্যরাও বেরোলেন। ড. মিজানুর রহমানের চেহারায় তখন একরাশ সুখের আবেশ। মেজাজ বেশ ফুরফুরে। প্রধান ফটক থেকে ড. মিজান যখন বের হচ্ছিলেন। তার আগ থেকেই গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি। এই বৃষ্টি মাথায় নিয়েই তিনি কারাগারে প্রবেশও করেছিলেন। বের হবার সময় কারা পুলিশ তাকে ছাতা দিয়ে বৃিষ্ট থেকে রক্ষা করলেন। প্রধান ফটক খোলার পরপরই উপস্থিত সাংবাদিকরা এগিয়ে গেলেন। ফটকের সামনের রাস্তায় দাড়িয়ে কারাগার পরিদর্শন বিষয়ে ‘ব্রিফ’ করলেন তিনি। প্রাসঙ্গিক প্রশ্নের উত্তর দেবার সময় নিজ থেকেই একটু অতীতে ফিরে গেলেন তিনি। বললেন, ২০১১ সালে যখন সিলেট কারাগার পরিদর্শনে এসেছিলাম। তখন আমাকে ভেতরে ঢোকতে দেওয়া হয়নি। একঘণ্টা বাইরে বসিয়ে রাখা হয়েছিল। কারাকর্তৃপক্ষ ভেতরে ঢোকতে সরাসরি নিষেধ না করলেও তারা ‘টালবাহানা’ করছিল। কখনো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়, কখন ডিআইজির বলে সময়ক্ষেপন করছিল। ভেতরে ঢোকার অনুমোদন নেই বলে আমাকে ঢোকতে দিচ্ছিল না। এই ঘটনায় সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল মন্তব্য করেন। ড. মিজান বলেন, সিলেট কারাকর্তৃপক্ষ এইবার আমাকে আসার জন্যে নিমন্ত্রণ করেছেন। তারা তাদের আগের ভুল বুঝতে পেরেছেন। তাদের উপলিব্ধি হয়েছে, যেসব স্থানে মানবাধিকারের বিষয় জড়িত, সেখানে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান পরিদর্শন করতে কারও কোনো পূর্বানুমতির দরকার পড়ে না। এই উপলব্ধির জন্যে তিনি সিলেট কারাগার কর্তৃপক্ষ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানান।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন Blogger Facebook