বিনোদন ডেস্ক : অবশ্য খলনায়ক মিশা সওদাগর, টাইগার রবিকেও দেখা গেছে ট্রেইলারে। নায়িকা মারজান জেনিফার কেবল ঝলকই মিলেছে। সেই সঙ্গে চোখে পড়েছে প্রসূন আজাদের রহস্যজনক উপস্থিতি। তবে পরিচালক আশিকুর যে অ্যাকশনপ্রেমীদের মন ভোলাতে কোনো কমতি রাখেননি তা নিশ্চিত করেই বলা যায়।
এই প্রতিবেদন লেখা অবধি ট্রেইলারটি ইউটিউবে ২ লাখ ৯৫ হাজার ৫৭০ জন দেখেছেন।
ইউটিউব ব্যবহারকারী ‘অর্ণব মির্জা’ মুগ্ধ হয়ে লিখেছেন, “এটা কি সত্যি বাংলাদেশী সিনেমা! আমার তো বিশ্বাসই হচ্ছে না।”
‘নিরব রাকিব’ লিখেছেন, “এরকম সিনেমা করলে সবাই হলে গিয়ে সিনেমা দেথবে।”
‘টম বিডি’ নিক থেকে বলা হচ্ছে, “ভালো ও সৃজনশীল কাজকে আমি সবসময়ই উৎসাহ দিই। সিনেমাটির ট্রেইলার, টিজার সত্যিই দারুণ হয়েছে। হালের বাংলা সিনেমাগুলো থেকে শতগুণ ভালো হয়েছে সিনেমাটি। আশিকও তার আগের কাজগুলোর ভুল শুধরে নিয়ে সিনেমাটিতে অনেক পরিবর্তন এনেছেন।”
‘আরিফ খান’ লিখেছেন, “আশা করছি, এটি আরেকটি ব্লকবাস্টার সিনেমা হতে চলছে। বাংলা সিনেমাতে হলিউডি স্টাইল, সত্যি ভালো লাগল। সালমান শাহ’র পর পরবর্তী সুপারস্টার হতে চলছেন আরেফিন শুভ।”
ইংল্যান্ডপ্রবাসী ‘বাকের হোসেন’ লিখেছেন, “সিনেমাটি মুক্তি পাবে কবে? এখানে কোথাও দেখা যাবে?”
‘মুসাফির’ সিনেমার সেটে গ্লিটজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরেফিন শুভ বলেছিলেন, “পুরো স্টোরিতেই অনেক সাসপেন্স। ধীরে ধীরে গল্পে ঢুকে পড়ে সে গল্পটি পুরোই পড়তে হবে আপনাকে। অন্যরকম একটি গল্প। আর ‘মুসাফির’ এর চরিত্রটিও আমার কাছে বেশ আকর্ষণীয়।”
জেনিফা বলেছিলেন, ‘মুসাফির’ সিনেমাতে ‘মনের মতো’ একটি চরিত্র পেয়েছেন তিনি।
কিছু দিন আগেই শোনা যাচ্ছিল ‘মুসাফির’-এর কাজ থমকে গেছে। কিন্তু একে গুজব বলেই আখ্যা দিয়েছেন পরিচালক।
আশিকুর রহমান তার ফেইসবুকে লিখেছেন, “সিনেমাটির কাজ আমিই শেষ করব। বাংলাদেশ থেকে আসার আগে ‘মুসাফির’ এর শুটিং, এডিটিং সম্পূর্ন শেষ করে এসেছি। সিনেমাটির শেষ দিকের কাজ আমরা সিডনিতে শেষ করবো। ডাবিংয়ের কাজও শুরু করবো। আমি প্যানেল কন্ট্রোল করছি, সরাসরি প্যানেলের সাউন্ড শুনছি।”
আশিক জানালেন, চলতি বছরের অক্টোবরে চার মাসের জন্য তিনি বাংলাদেশে আসবেন। তখনই পরিস্থিতি বিবেচনায় সিনেমাটি মুক্তি দেবেন তিনি।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে নেতিবাচক খবর প্রকাশিত হওয়ায় বেশ চটেছেন এই পরিচালক।
“আপনাদের এ টাইপের নিউজে আমাদের খুব কষ্ট হয়। আমরা ভদ্র পরিবারের সন্তান, সামাজিকভাবে সম্মান ক্ষুণ্ণ হয়। নিজের উপর রাগ লাগে কেন এখানে কাজ করতে আসলাম! রাত -দিন কষ্ট করার পরও আপনারা এই ভাবে নিউজ লেখেন। খুব খুব খারাপ লাগে, আর কাজই করতে ইচ্ছা করে না।”
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন Blogger Facebook