রিপোর্টার্স বিডি ডট কম : নির্মম নির্যাতনে কিশোর সামিউল আলম রাজনকে হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে মুহিদ আলম। সোমবার ৫ দিনের রিমান্ডে শুরুতেই সে দায় স্বীকার করলো।এ তথ্য জানিয়েছেন জালালাবাদ থানাও ওসি আখতার হোসেন।তিনি জানান, আদালত মুহিদের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করার পর সোমবার সন্ধ্যা থেকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।মুহিদের বরাত দিয়ে ওসি আখতার বলেন, রিমান্ডের শুরুতেই সে ৫ জনের নাম উল্লেখ করেছে। এরা হলো- মুহিদ নিজে, তার ভাই কামরুল ইসলাম, শামীম আহমদ, আলী ও তাদের মাকের্টের চৌকিদার ময়না।এর আগে সোমবার সকালে সিলেটের মহানগর হাকিম আদালত-২ এর বিচারক ফারহানা ইয়াসমিন মুহিদের ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেছিলেন।গত রোববার রাজন হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জালালাবাদ থানার ওসি (তদন্ত) আলমগীর হোসেন মুহিদের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদনের প্রেক্ষিতেই সোমবার রিমান্ড শুনানী হয়।উল্লেখ্য, গত বুধবার সিলেট নগরীর কুমারগাঁওয়ে রাজনকে চুরির অপবাদে খুঁটির সাথে বেঁধে পৈশাচিক নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়। তার লাশ গুম করার চেষ্টাকালে জনতার সহায়তায় পুলিশের হাতে আটক হয় মুহিদ আলম।এ ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে নগরীর জালালাবাদ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলায় আটক মুহিদ আলম (২২) ও তার ভাই কামরুল ইসলাম (২৪), তাদের সহযোগী আলী হায়দার ওরফে আলী (৩৪) ও চৌকিদার ময়না মিয়া ওরফে বড় ময়নাকে (৪৫) আসামি করা হয়েছে।নিহত সামিউল আলম রাজনের বাড়ি সিলেট নগরীর কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ডের পাশে সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের বাদে আলী গ্রামে। সামিউলের বাবা শেখ আজিজুর রহমান পেশায় একজন প্রাইভেটকারচালক। তার দুই ছেলের মধ্যে সামিউল বড়।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন Blogger Facebook