0

images_85768রিপোর্টার্স বিডি ডট কম : দেশের সবকিছুতেই রাজনীতি জড়িত মন্তব্য করে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এই রাজনীতির জন্য আমি রাস্তাগুলোকেও দখলমুক্ত করতে পারছিনা। কখনও দখলমুক্ত করা হলে এর এক -দেড় ঘন্টা পরেই আবার সেই আগের অবস্থায় ফিরে যায়। তাই কঠিন সিদ্ধান্তকঠিনভাবেই গ্রহণ করতে হবে।সোমবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।‘সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের ভূমিকা এবং অংশিদারিত্বদূলক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় করনীয়’ শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করে সড়ক দূর্ঘটনা প্রতিরোধে ‘বিপদে আমরা’ প্রতিপাদ্য নিয়ে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ট্রমালিংক।আমরা যে কোন কাজের চেয়ে বড় বড় কথা বলতেই অভ্যস্থ’  মন্তব্য করে কাদের বলেন, আমরা ভাষনে সবল আর এ্যাকশানে দূর্বল। যেকোন উদ্যোগ বাস্তবায়নে সমন্বিত ভাষন নয়, সমন্বিত এ্যাকশন দরকার বলে ও মন্তব্য করেন তিনি।‘দেশের সকল গাড়িচালকের ফ্রি স্টাইল ভাব’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘তাই এখানে রাস্তার ৪ লেন কেন, ১৬ লেন করলেও কোন কাজ হবে না। এজন্য সবার আগে মানসিকতার পরিবর্তন জরুরী।’‘আমি একটা জায়গার বড় বিপদে আছি’ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘সামনে ঈদ এখন সব পরিবহনে বাড়তি ভাড়া আদায় করবে আর প্রতিনিয়ত আমার কাছে অভিযোগ আসবে। এমনও দেখা যাবে, বি আরটিসির বিরুদ্ধে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ আসছে।’মন্ত্রী বলেন, ‘সাধারণরা রাস্তায় আইন মানলেও ভিআইপি অসাধারণরা আইন মানে না। কেউ কাউকে পরোয়া করে না, সবাই ফ্রি স্টাইল।’‘আমাদের সকল দিকে সমস্যা’ উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সর্বাঙ্গে ব্যথা আমার, ওষুধ দিব কোন জায়গায়? একলা আমি কতো জায়গায় দৌড়াবো?’ যানজট এবং দূর্ঘটনার বিষয়ে পর্যযবেক্ষন করতে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিবকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নিরাপদ সড়ক চাই এর চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘সড়ক দূর্ঘটনা প্রতিরোধে সারা বছরই বিভিন্ন সংগঠনের সভা সমাবেশ হয়। গত ২৩ বছর ধরে আমি কারও না কারও সাথে বসে আলোচনা করছি কিন্তু লাভটা কী?’তিনি বলেন, ‘এভাবে বিক্ষিপ্তভাবে আলাদা মন্ত্রণালয়ের সাথে কথা বলে কোন লাভ হবে না। এ বিষয়টির সাথে একটি নয় সড়ক সেতু, এলজিআরডি, আইন, স্বরাষ্ট্র, শ্রম মন্ত্রণালয়সহ বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয় জড়িত। সকল মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করে পুরো বিষয়টা পর্যযবেক্ষন করার জন্য আমি অনেকদিন ধরে বলে আসলেও কোন লাভ হয়নি।’তিনি আরও বলেন, ‘সবাই বলতে চায়, নের্তৃত্ব দিতে চায়। সবাই নের্তৃত্ব দিলে কেউ মানবে না। তাই নের্তৃত্বের দায়িত্বটা সরকারের পক্ষ থেকেই নিতে হবে। বিক্ষিপ্তভাবে কেউ দায়িত্ব নিলে হবে না, সরকার দায়িত্ব নিলে আমরা সবাই যার যার কাজ করতে পারবো।’আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন ট্রমালিংকের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ড. জন মুসালেহ, সাংবাদিক এবং কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ, ট্রমালিংকের সহহ-সভাপতি মৃদুল চৌধুরী প্রমুখ।



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন Blogger

 
Top